নিহত শামসুল আলম কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত আব্দু রহমানের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি হাড়িতে মাছ ধরতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে সেলিম জানান, তার বাবা সকালে সুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। পরে হাড়িতে মাছ ধরতে গিয়ে ফেরার পথে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামাল শোক প্রকাশ করে বলেন, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে শ্রমজীবী মানুষেরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে শামসুল আলমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ বলে স্থানীয়রা জানান।