
মহেশখালী প্রতিনিধি
কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানির সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল থেকে মহেশখালী উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও নতুন আমদানির সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লবণচাষি, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও ছাত্রসমাজ।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল শুক্কুর সিআইপি, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা জিয়াউল হক,জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আতা উল্লাহ বোখারী স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে সমাবেশটি পরিচালনা করা হয়।
সমাবেশের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ আবদু রহিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক এস এম রুবেল। ছাত্র প্রতিনিধি ওসমান সরওয়ার মানিক বক্তব্য দেন।
বিক্ষোভকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে লিখিত দাবি জানিয়েছেন,লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত বাতিল, দেশীয় লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং চাষিদের জন্য কার্যকর বাজার সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রে মহেশখালীর পাঁচটি ও কক্সবাজার জেলার ৭৮টি মিলসহ মোট ২৩১টি প্রতিষ্ঠানকে অপরিশোধিত লবণ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৪২৯.১৮ মেট্রিক টন লবণ আমদানির সুযোগ পাবে এবং তা পরিশোধন করে বাজারজাত করতে হবে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বিসিকের ভুল তথ্য এবং মন্ত্রণালয়ের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, নতুন মৌসুমে ইতোমধ্যেই উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং মাঠে গত বছরের বিপুল পরিমাণ লবণ এখনও মজুত আছে। এই অবস্থায় আমদানির ফলে দেশীয় লবণের দাম কমে যাবে এবং চাষিরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে—আমদানির স্থগিত, দেশীয় উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, সহজ শর্তে ঋণ ও সঞ্চয় সুবিধা এবং সরকারি পর্যায়ে কার্যকর বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় নেতারা সতর্ক করেছেন, নীতিগত সমাধান ও বাজার সুরক্ষা ছাড়া দেশীয় লবণ শিল্প অচিরেই বড় সংকটে পড়তে পারে।
যদি চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, পত্রিকায় এক কলামের জন্য ফিট করা ভার্সন-এ সাজিয়ে দিতে পারি, যাতে পাঠকের জন্য পড়া সহজ হয়।
আপনি কি সেই ভার্সন চান?


