রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
Headline
Headline
অনলাইন আরবী ভাষা প্রশিক্ষণে বিএমটিটিআই’র প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মৌলানা ইয়াছিন কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু: আদিনাথ মন্দিরের উত্তরাংশ থেকে চৌফলদণ্ডি হওয়ার সম্ভাবনা মহেশখালীতে মায়ের কিডনি দানে সন্তানের জীবনরক্ষা মহেশখালীতে বৈশাখী কবিতা পাঠ ও আড্ডা—সংস্কৃতির রঙে মুখর বন্ধু সভা হোয়ানকে জন্মসাল জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ৮ হাজার কোটি টাকার এসপিএম ঘুমে, জ্বালানিতে লোকসান গুনছে দেশ সোনাদিয়ায় দুষ্কৃতিকারীদের হামলা, কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিদেশি পর্যটক উদ্ধার মহেশখালীতে অদক্ষ ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা সভা মহেশখালীতে ইউপি সদস্য রিমনের বাড়িতে পুলিশের অভিযান: অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার, মামলা দায়ের মহেশখালীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি “নেপথ্যে অস্থায়ী স্টাফ আবিদ”
/ ৩৩০ Time View
Update : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
Oplus_16908288

সুব্রত আপন◾

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অস্থায়ী স্টাফ আবিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, ঘুষ-দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তার কারণে সেবাপ্রার্থীদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে অস্থায়ী স্টাফ আবিদ নানা অজুহাতে হয়রানি করেন এবং টাকা ছাড়া কোনো কাজ এগোয় না। নামজারি, খারিজ, খাজনা প্রদানসহ প্রায় সব কাজেই ঘুষ দাবি করা হয়।

অভিযোগে জানা যায়, অফিস প্রধান তহশীলদার মো. ফিরোজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ায় (শালা) আবিদ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তার কাছে অফিসের নথিপত্রের চাবি থাকায় ইচ্ছেমতো ফাইল সরবরাহ করেন অন্যের হাতে, ফলে জালিয়াতির মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন।

সেবাপ্রার্থীরা আরও জানান, নামজারির জন্য সব কাগজপত্র জমা দিলেও আবিদ ঘুষ না পেলে ফাইলের উপর ‘বাতিল’ লিখে দেন এবং সেটি বাতিল তালিকায় পাঠিয়ে দেন। আবার যার সামর্থ্য আছে, তার কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা নিয়ে ফাইলে ইচ্ছাকৃতভাবে গুজামিল খুঁজে বের করে সমস্যা সমাধানের নামে টাকা নেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবিদ যাচাই-বাছাই শেষে “ওকে” করে দিলে তবেই ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা তহশীলদার স্বাক্ষর করেন। এমনকি দাখিলার নতুন এন্ট্রি বা হোল্ডিং খোলার ক্ষেত্রেও সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করেন।

এ প্রসঙ্গে আবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব কথা সত্য নয়। আমি কোনো ফাইল জিম্মায় রাখি না, আর টাকার প্রসঙ্গও উল্লেখ করি না।”

অন্যদিকে তহশীলদার মো. ফিরোজকে এ বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কথা বলে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, গোরকঘাটা তহশীল অফিস এখন ঘুষ-দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। দ্রুত এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page