রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
Headline
Headline
অনলাইন আরবী ভাষা প্রশিক্ষণে বিএমটিটিআই’র প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মৌলানা ইয়াছিন কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু: আদিনাথ মন্দিরের উত্তরাংশ থেকে চৌফলদণ্ডি হওয়ার সম্ভাবনা মহেশখালীতে মায়ের কিডনি দানে সন্তানের জীবনরক্ষা মহেশখালীতে বৈশাখী কবিতা পাঠ ও আড্ডা—সংস্কৃতির রঙে মুখর বন্ধু সভা হোয়ানকে জন্মসাল জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ৮ হাজার কোটি টাকার এসপিএম ঘুমে, জ্বালানিতে লোকসান গুনছে দেশ সোনাদিয়ায় দুষ্কৃতিকারীদের হামলা, কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিদেশি পর্যটক উদ্ধার মহেশখালীতে অদক্ষ ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা সভা মহেশখালীতে ইউপি সদস্য রিমনের বাড়িতে পুলিশের অভিযান: অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার, মামলা দায়ের মহেশখালীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
মহেশখালী-কক্সবাজার রুটে লাইফ জ্যাকেট স্টেশন চালু
/ ৩২৬ Time View
Update : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

এম আজিজ সিকদার 

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার নৌরুটে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো চালু করা হয়েছে পৃথক লাইফ জ্যাকেট স্টেশন। যাত্রা শুরুর আগে যাত্রীদের এসব স্টেশন থেকে লাইফ জ্যাকেট সংগ্রহ করতে হবে এবং গন্তব্যে পৌঁছে তা নির্ধারিত স্টপেজে জমা দিতে হবে।

এই নৌরুটের নিয়মিত যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন, স্পিডবোটে যে লাইফ জ্যাকেট রাখা থাকে তার বেশিরভাগই পুরনো, ছেঁড়া কিংবা ব্যবহার অনুপযোগী। অনেক যাত্রার সময় দেখা যেত, লাইফ জ্যাকেট থাকলেও সেগুলো নিরাপত্তার কাজে লাগার মতো মানসম্পন্ন ছিল না। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় গণমাধ্যমেও একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

পরিস্থিতি বিবেচনায় যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এখন থেকে যাত্রীদের জন্য আলাদা স্টেশনে রাখা হবে মানসম্মত লাইফ জ্যাকেট। যাত্রীরা টিকিট কাটার পরপরই এসব স্টেশন থেকে লাইফ জ্যাকেট সংগ্রহ করবেন এবং যাত্রা শেষে তা আবার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেদায়েত উল্লাহ বলেন,“যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। পূর্বে যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেটের মান নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। সেই সমস্যার সমাধানেই পৃথক লাইফ জ্যাকেট স্টেশন চালু করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি যাত্রী যাত্রা শুরুর আগে স্টেশন থেকে লাইফ জ্যাকেট নেবেন এবং যাত্রাপথে তা ব্যবহার করবেন। আমরা চাই সবাই নিয়ম মেনে চলুক, তাহলেই নৌপথ অনেক নিরাপদ হবে।”

যাত্রীরা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত নজরদারির ওপরই নির্ভর করবে যাত্রীদের প্রকৃত নিরাপত্তা। অনেক যাত্রী মনে করেন, শুধু লাইফ জ্যাকেট সরবরাহ করলেই হবে না— এগুলো প্রতিদিন ব্যবহার উপযোগী অবস্থায় রাখা, নিয়মিত ধোয়া-মোছা করা এবং কোনোটি নষ্ট হলে দ্রুত প্রতিস্থাপন করা জরুরি।

নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের সচেতন না হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই যাত্রার আগে লাইফ জ্যাকেট পরিধান করা, মাঝপথে খুলে না ফেলা এবং গন্তব্যে পৌঁছে নির্ধারিত স্থানে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুট প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীদের প্রাণরক্ষায় নতুন এই উদ্যোগ সফল হলে নৌপথে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page