
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) নতুন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন কক্সবাজারের পরিচিত সাংবাদিক রকিয়ত উল্লাহ। সম্প্রতি সরকার তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছে।
কউকের দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিক রকিয়ত উল্লাহ বলেন, “কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি কাজ করতে চাই। উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনস্বার্থের বিষয়গুলো আমার মূল অঙ্গীকার হবে।”
কউকের একজন সদস্যের দায়িত্ব অনুযায়ী তিনি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবহার ও পর্যটন উন্নয়ন পরিকল্পনা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, অবৈধ দখল ও নির্মাণ প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কাজে যুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় সাধনও তার দায়িত্বের অংশ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাংবাদিক রকিয়ত উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের উন্নয়ন, পরিবেশ ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে কাজ করে আসছেন। তাই তার এ দায়িত্ব কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক সকালের কক্সবাজার ও মহেশখালীর সব খবরে কর্মরত।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, নতুন সদস্য হিসেবে রকিয়ত উল্লাহর যোগদান কউকের চলমান কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
উল্লেখ্য যে, রকিয়ত উল্লাহ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছড়ার উত্তর নলবিলার সম্ভান্ত্র ও সোলতান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আমানত উল্লাহ উল্লাহ তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সোলতান আহমেদ চৌধুরী এবং তিনি শিল্পপতি মরহুম জয়নাল আবেদীন চৌধুরী চাচাত ভাই।
রকিয়ত উল্লাহ উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক শেষ করার পর বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্ত হন মহেশখালীর আলমগীর ফরিদ বিএম কলেজে, সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে বিবিএ(হিসাববিজ্ঞান) ও এমবিএ শেষ করেন। পরে তিনি কক্সবাজার আইন কলেজ থেকে এলএলবি শেষ করে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসাবে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষা জীবন থেকে মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনে কাজ করেন এবং সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করেন। তিনি বর্তমানে দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকা, সকালের কক্সবাজার, মহেশখালীর সব খবর ও টেলিগ্রাম নিউজে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি দৈনিক কালবেলা,দেশ রুপান্তর, সকালের সময়,দৈনিক বাকখালী, দৈনিক দৈনন্দিনে কাজ করেন।


