
মিজবাহ উদ্দীন আরজু
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শা. আ. ম. এনায়েত উল্লাহ বাবুলের নিরলস পরিশ্রম, উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন।
চেয়ারম্যান বাবুলের নেতৃত্বে বড় মহেশখালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, ড্রেনেজ সংস্কার, গ্রামীণ বিদ্যুৎ সংযোগ, স্কুল-কলেজের পরিবেশ উন্নয়ন, নলকূপ ও স্যানিটেশন সুবিধা বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, চেয়ারম্যান বাবুল শুধুমাত্র প্রশাসনিক দায়িত্বই পালন করেন না, বরং জনগণের প্রতিটি সমস্যা সমাধানে তিনি সর্বদা পাশে থাকেন। ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চলের এক দোকানদার বলেন—“চেয়ারম্যান বাবুল আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। দিন-রাত যেকোনো প্রয়োজনে তাঁকে পাশে পাই। এমন জনদরদী চেয়ারম্যান আগে দেখিনি।”
একই সুরে কথা বলেন উত্তরাঞ্চলের এক শিক্ষক- ইউনিয়ন পরিষদে এখন সেবার মান অনেক উন্নত। চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন এবং সরাসরি জনগণের কথা শোনেন।”
চেয়ারম্যান শা. আ. ম. এনায়েত উল্লাহ বাবুল বলেন—জনগণ আমাকে ভালোবেসে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তাই তাঁদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমি চাই বড় মহেশখালী ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চেয়ারম্যান বাবুলের নেতৃত্বে ইউনিয়নে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা ফিরেছে। তাঁর স্বচ্ছতা, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক আচরণ তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তুলেছে।
বর্তমানে বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ শুধু একটি প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান নয়—এটি এখন জনকল্যাণের এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি, যার নেতৃত্বে আছেন একজন সেবাপরায়ণ ও নিবেদিতপ্রাণ জনপ্রতিনিধি শা. আ. ম. এনায়েত উল্লাহ বাবুল।


