মহেশখালী প্রতিনিধি
মহেশখালীতে এবারের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা দিয়েছে গ্রাভিটন একাডেমি। শুক্রবার সকালে লিডারশীপ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
হাফেজ আমের উল্লাহ’র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যমে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আরিফ বিন ছালেহ।
গ্রাভিটন একাডেমির সিইও আরমান উদ্দিন বশির তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষা হল মানুষের জীবনের ভিত্তি। একজন শিক্ষার্থী যদি সততা, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়াশোনা করে, তাহলে সে যে কোনো ক্ষেত্রেই সফল হতে পারে। আজকের এই কৃতি শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের জন্যই নয়, পুরো মহেশখালীবাসীর গর্ব। আমাদের দায়িত্ব তাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা।” তিনি আরও যোগ করেন, “শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও দায়িত্ব শুধু পড়ানো নয়, শিক্ষার্থীর চরিত্র গঠন এবং মূল্যবোধের দিকে নজর দেওয়াও।”
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর সাইদ বলেন, “একজন শিক্ষার্থী কেবল জিপিএ-৫ পাওয়াই নয়, সততা, কঠোর পরিশ্রম এবং মানবিক গুণাবলীর দিকেও যত্নশীল হতে হবে। আমি এইচএসসি পরীক্ষায় শীর্ষ তিন শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কার প্রদান করছি, যাতে তাদের আরও উৎসাহিত করা যায়। আমি আশা করি, এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের সেবা করবে এবং সমাজকে নতুন দিশা দেখাবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন, অধ্যবসায় রাখুন, আর কখনও হাল ছাড়বেন না।”
মাস্টার শামীম ইকবাল বলেন, “শিক্ষা শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, মানুষের চরিত্র গঠন ও সমাজের উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এই জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আমাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব হতে পারে। তাদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা অনেক বড়।”
মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, “আজকের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা। আমরা চাই তারা শুধু নিজেরা সফল হোক না, সমাজের জন্যও কিছু দিকনির্দেশনা দেখাক।”
অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষকদের সম্মাননা, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহার প্রদান করা হয় এবং ১৩ জন শিক্ষক ও ৬৭ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধিত করা হয়।
গ্র্যাভিটন একাডেমি জানায়, ভবিষ্যতেও তারা মহেশখালীর শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা ও উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাবে।