
আজকের প্রতিবেদক ◾
মহেশখালী, শাপলাপুর: বন বিভাগের সাম্প্রতিক অভিযানকে কেন্দ্র করে মহেশখালীর শাপলাপুর এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। বনবিভাগ পানের বরজ উচ্ছেদ করে “বনায়ন উদ্ধারের জমি উদ্ধার” দাবি করলেও স্থানীয়রা বলছেন, এটি গরীব কৃষকদের প্রতি এক পক্ষপাতদুষ্ট ও অবিচারের নিদর্শন।
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, যখন বহুতল ভবনগুলো অবাধে পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয় এবং রাতের আঁধারে গাছ ও বালু পাচার হয়, তখন বনবিভাগ কেন কঠোর পদক্ষেপ নেয় না? বন বিভাগের চোখের সামনে এই সকল ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও তারা কেন শুধু গরীব কৃষকের ছোট বরজগুলো উচ্ছেদ করছে?
এই দ্বৈতনীতি বন বিভাগের নামে জনমনে অবিশ্বাস ও ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, মহেশখালীর বন বিভাগের আইন শুধু গরীবের জন্যই কঠোর আর শক্তিশালীদের জন্য অন্যায় রীতিতে চোখ বুজে থাকা।
এক স্থানীয় কৃষক বলেন, “আমাদের ঘাম-রক্ত মিশিয়ে তৈরি পানের বরজগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে, অথচ শাসক ও ক্ষমতাধররা বনকাণ্ড ধ্বংস করে চলেছে। এ কি ন্যায়?”
এই ঘটনায় বন সংরক্ষণ, সামাজিক ন্যায় এবং দুর্নীতির প্রশ্ন সামনে এসেছে এবং বনবিভাগের কার্যক্রম পুনঃমূল্যায়নের দাবি উঠেছে।


