
বিশেষ প্রতিবেদক::
মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য এলাকার সব চিংড়ি ঘের উচ্ছেদ করে প্যারাবন রোপণের দাবি উঠেছে। এলাকার পরিবেশবাদী ও স্থানীয় জনগণের মতে, চিংড়ি ঘেরের কারণে সোনাদিয়ার প্রকৃতির ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে এবং নদী-খালের জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
চিংড়ি ঘেরগুলোর কারণে সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ হ্রাস পাচ্ছে এবং পলিমাটি জমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর ফলে পলিমাটি বেড়ে ক্ষুদ্র দ্বীপের জমি সংকুচিত হচ্ছে, যা এক সময় জনবসতি ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যারাবন বা সীগ্রাস (Sea Grass) সমুদ্রতটের জন্য অত্যন্ত উপকারী, এটি বালুকাময় তলকে মাটি ধরে রাখে এবং তরঙ্গের প্রভাবে ভূমিধস রোধ করে। প্যারাবন রোপণ করলে সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সুস্থ থাকবে এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যও ফিরে আসবে।
তাই স্থানীয়রা ও পরিবেশকর্মীরা একসাথে দাবি তুলেছেন, সোনাদিয়া দ্বীপের সকল চিংড়ি ঘের অপসারণ করে, যথাযথ পরিকল্পনা ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে নতুন করে প্যারাবন রোপণ করতে হবে। এর ফলে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীবনধারা দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


