কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার কৃতি সন্তান ও সাংবাদিক নুরতাজুল মোস্তফা (শাহীন শাহ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে নতুন পরিচয়ে পথচলা শুরু করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ ধরে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবেও মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সত্যের পক্ষে কাজ করে গেছেন।
জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সমাজ সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় অনেক অনুজ সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে এসেছে বলে সহকর্মীরা জানান। তিনি রাজনীতি বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শেষ করে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষে আইন অঙ্গনে পথচলা শুরু করেন।
জানা যায়,তাঁর দীর্ঘ পথচলা কখনোই সহজ ছিল না। নানা চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতা, জয়-পরাজয় ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হয়েছে। তবে মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও শুভকামনাই তাঁকে প্রতিটি কঠিন সময়ে সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে।
শাহীন শাহ বলেন, পিতা-হীন জীবনের দীর্ঘ যাত্রায় তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি ও প্রেরণা তাঁর মা—জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত এক সংগ্রামী নারী। মায়ের দোয়া, ত্যাগ ও আশীর্বাদই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে অনুপ্রাণিত করেছে।
আইন পেশায় যুক্ত হয়ে তিনি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই নতুন এই পথচলা শুরু করেছি। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
তিনি গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন আইন অঙ্গন ও সাংবাদিকতার পথচলায় যাঁদের কাছ থেকে শিক্ষা ও সহযোগিতা পেয়েছেন। বিশেষ করে সাংবাদিকতার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে যেসব সহকর্মী সাংবাদিক তাঁকে সহায়তা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
এলাকাবাসীর মতে, সাংবাদিক শাহীন শাহের এই অর্জন ভবিষ্যতে এলাকার অনুজদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তিনি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন, যেন তাঁর এই পথচলা মানুষের ন্যায়, সত্য ও কল্যাণের জন্য কবুল হয় আমিন।