মহেশখালীকে ঘিরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষের কাছে টিউবওয়েল, টয়লেট, সেলাই মেশিন, গবাদিপশু, কুরবানির মাংস কিংবা মসজিদের ওযুখানার মতো নানা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রমের আড়ালে অনেক সময় স্থানীয় জনমত প্রভাবিত করার অপচেষ্টার অভিযোগও উঠছে।
এ প্রক্রিয়ায় তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ভূমিকা রাখছে কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক ব্যক্তি, কথিত সিভিল সোসাইটি ও এনজিও সংশ্লিষ্ট লোকজন—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। তাদের দাবি, সাময়িক সুবিধা দিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার, ভূমি, পরিবেশ ও ঐতিহ্যবাহী জীবিকাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
সচেতন মহল বলছে, মহেশখালীর প্রকৃতি, বসতি, কৃষিজমি, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষায় এখনই ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। তারা মনে করেন, ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষণিক সুবিধার লোভে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ পরিবেশ ও টেকসই জীবনব্যবস্থা ধ্বংস হতে দেওয়া উচিত নয়।
স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, “উন্নয়নের নামে যদি পরিবেশ, মানুষ ও জীবিকা ধ্বংস হয়, তবে সেই উন্নয়ন প্রকৃত উন্নয়ন নয়। মহেশখালীর স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে।”
রুহুল আমিন, মহেশখালী