
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঐতিহ্যের বাতিঘর মহেশখালীর এক আবেগঘন দুপুরে মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠেছিল এক মহতী আয়োজনে। দ্বীপ জনপদের কৃতীসন্তান, উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তা ও মানবিক ব্যক্তিত্ব, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এম.কে. রোপিং-এর চেয়ারম্যান জনাব ফয়সল আমিন এবং আরও বহু গুণীজনের সম্মানে আয়োজিত হয়েছিল এক অনন্য গুণীজন সংবর্ধনা।
এটি ছিল কেবল একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নয়—বরং কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার নিবেদনে সিক্ত এক মাইলফলক, যা মহেশখালীর মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখে।
অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্ত ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও অনুপ্রেরণায় পরিপূর্ণ ছিল। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের আলোকিত মানুষ। অতিথিদের মধ্যে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন জনাব ফয়সল আমিন, যিনি প্রবাসে থেকেও নিজের জন্মভূমির প্রতি টান রেখে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর উপস্থিতি মহেশখালীর তরুণ প্রজন্মের মনে নতুন করে স্বপ্ন বুনে দেয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব আল্লামা ফুরকানুল্লাহ খলিল, মাওলানা নুরুচ্ছফা, এবং আলহাজ রফিকুল ইসলাম বকুল। তাঁদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা এবং চিন্তার দীপ্তি পুরো আয়োজনকে এক অনন্য মাত্রা দেয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. আবুল হাসেম, যার বক্তব্যে অনুপ্রেরণার বার্তা ছিল স্পষ্ট। প্রধান বক্তা হিসেবে জনাব আলহাজ জয়নাল আবেদিন তাঁর বলিষ্ঠ বক্তব্যে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. হোছাইন ও হুমায়ুন কবির আজাদ। তাঁদের উপস্থিতি ও বক্তব্যে ফুটে ওঠে মহেশখালীর উন্নয়নে সমবেত প্রয়াসের প্রয়োজনীয়তা।
অনুষ্ঠানের স্বাগতিক বক্তব্য দেন জনাব অধ্যাপক সরোয়ার কামাল, যাঁর হৃদয়গ্রাহী উপস্থাপনায় মহেশখালীর কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া সবাইকে আপ্লুত করে। সভাপতির বক্তব্য প্রদান করেন জনাব আলহাজ আশরাফ জামান কোং, যাঁর দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়।
সাবলীল সঞ্চালনায় ছিলেন জনাব মাস্টার শাহেনুর আলম শিবলী, যাঁর মধুর বাচনভঙ্গি ও দক্ষ উপস্থাপনায় পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও গতিময়।
এই গুণীজন সংবর্ধনার আয়োজক ছিল আন-নূর ইসলামিক সেন্টার, বড় মহেশখালী। তাঁদের নিবেদিতপ্রাণ উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই আয়োজন মহেশখালীর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এই সংবর্ধনা কেবল কিছু গুণীজনকে সম্মান জানানোর আয়োজন নয়; এটি ছিল মহেশখালীর মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নিঃশব্দ অঙ্গীকার—যা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে দায়িত্ববোধের এক চিরসবুজ বার্তা


